শনিবার, মে ৩০, ২০২০

একে অন্যের দোষ খুঁজে বেড়ালে চলবে না

  • বিনোদন প্রতিবেদক
  • ২০২০-০৪-১৮ ২২:৫২:০৭
image

এক মাসেরও বেশি সময় ধরে স্বেচ্ছাবন্দিত্বে আছেন সংগীতশিল্পী-অভিনেতা তাহসান রহমান খান। তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন রবিউল ইসলাম জীবন

স্বেচ্ছাবন্দিত্বে আছেন কবে থেকে?
১৪ মার্চ থেকে। আমার বাসা বনানী। তবে কোয়ারেন্টিনে আছি মায়ের বাসায়, পরীবাগে। দু-একবার বাজার করতে বের হয়েছি, এ ছাড়া সারাক্ষণ বাসাতেই আছি। টানা ১২ দিন বাসা থেকে বের হইনি, এমনটা আগে কখনোই হয়নি। পরিস্থিতির কারণেই বাসায় থাকতে হচ্ছে, এটাই এখন আমাদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ।

সারা দিন কিভাবে কাটছে?
সত্যি বলতে, আমার ঠিকমতো ঘুমই হচ্ছে না! মাঝেমধ্যে পিয়ানো, কি-বোর্ড নিয়ে বসি। তবে এই অবস্থায় গান করা খুব কঠিন, মন টানে না। মাঝেমধ্যে মাকে সহযোগিতা করছি। মাছ, মুরগি রান্না করছি। নানা বিষয়ে পড়ছি। অনলাইনে কিছু কোর্স করেছি। ভালো ভালো কিছু গান, নাটক ও সিনেমা উপভোগ করছি।

মানুষকেও তো সাহায্য করছেন।
মানুষের পাশে দাঁড়ানো এই মুহূর্তে আমাদের বড় দায়িত্ব। এ পর্যন্ত ১০-১২টি ফান্ডে অর্থ সহায়তা দিয়েছি। টাকা পাঠানোও এখন ঝামেলার, কারণ দোকানগুলো বন্ধ। তবু সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছি। এখন সবচেয়ে বেশি খোঁজখবর রাখতে হবে আশপাশের মানুষের। পরিচিত এমন অনেকে আছেন যাঁরা কারো কাছে চাইবেন না, কিন্তু সংকটে আছেন। আমাদের উচিত নিজে উদ্যোগী হয়ে তাঁদের সাহায্য করা। এ কাজটিই করার চেষ্টা করছি।

বাসায় বসে কনসার্ট করার বিষয়ে ভক্তদের মতামত চেয়েছিলেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, সেটির কী হলো?
বিদেশি শিল্পীদের দেখে এ বিষয়ে উৎসাহী হয়েছিলাম। পরে বুঝলাম, গানের প্রতি মানুষের মনোযোগ এখন কম। তবে আমার ইনস্টাগ্রামে পিয়ানো বাজিয়ে পছন্দের কিছু ইংরেজি গান কভার করে প্রকাশ করেছি। অবশ্য সেগুলোর প্রশংসা করেছেন অনেকেই।

এই দুর্যোগে ভক্তদের জন্য আপনার পরামর্শ কী?
সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে, করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে হলে নিয়ম মেনে চলতে হবে। একে অপরের দোষ খুঁজে বেড়ালে চলবে না। সবাইকে একতাবদ্ধ হয়েই এই দুর্যোগ মোকাবেলা করতে হবে।

উতসঃ কালের কণ্ঠ


এ জাতীয় আরো খবর