শুক্রবার, আগস্ট ৭, ২০২০

মানিকগঞ্জে ইটভাটা সম্প্রসারণ করতে বসতভিটার মাটি কেটে নেওয়ার অভিযোগ

  • আবাসন প্রতিবেদক
  • ২০২০-০৪-১২ ২২:১৫:২২
image

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার এলাকায় ইটভাটা সম্প্রসারনের জন্য এক ব্যক্তির বসতভিটার মাটি কেটে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় শনিবার (১১ এপ্রিল) বসতভিটার মালিক লুৎফর রহমান ইটভাটার মালিক জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

লিখিত অভিযোগ এবং ভূক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জেলা শহরের পশ্চিম সেওতা এলাকার বাসিন্দা লুৎফর রহমানের স্থানীয় তাঁতী কালিয়ানী মৌজায় ২৭/৩৫ খতিয়ানে এবং ২৪২ দাগে ২৭ শতক জমিতে একটি বসতবাড়ি রয়েছে। বাড়িটি দেখভালের জন্য তিনি একজন অসহায় ব্যক্তিকে সেখানে থাকতে দিয়েছেন। ওই ব্যক্তি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে সেখানে বসবাস করছেন। ওই বসতভিটার পাশেই মেসার্স জামাল অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড নামের ইটভাটা।

গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দিবাগত রাতে এস্কাভেটর (ভেকু) দিয়ে লুৎফর রহমানের বসতভিটার অর্ধেক অংশ কেটে নেন ভাটার মালিক জামাল উদ্দিন। এ ছাড়া সেখানে থাকা বিভিন্ন ধরণের ফলজ ও বনজ গাছও কেটে নেওয়া হয়। ওই ভাটার আয়তন সম্প্রসারণের জন্য বসতভিটা দখল করার জন্য সেখান থেকে মাটি কেটে নেওয়া হয়।

লুৎফর রহমান বলেন, ওই ভাটা সম্প্রসারণ করতে বসতভিটার জায়গা বিক্রির জন্য জামাল উদ্দিন ও তাঁর লোকজন তাঁকে (লুৎফর) চাপ দিয়ে আসছিলেন। এর পর থেকে বসতভিটা দখল করার জন্য ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিলেন। এই বসতভিটা দখল করতেই সেখানে থেকে মাটি ও গাছপালা কেটে নেওয়া হয়েছে।

শনিবার সরেজমিনে দেখা যায়, তাঁতী কালিয়ানী এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে ইটভাটা এবং ভাটার দক্ষিণপাশে ওই বসতভিটা। বসতভিটার উত্তরপাশের বেশকিছু অংশের মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে। পাশেই রাখা হয়েছে এস্কাভেটর।

অভিযোগের বিষয়ে জামাল উদ্দিন বলেন, প্র‘তি বছরই ওই বসতভাড়ির পাশে মাটি স্তপ করে রাখি। আবার ইট তৈরির জন্য এসব মাটি কাটা হয়। তাঁদের বসতভিটার যদি কোনো অংশে মাটি কাটা হয়, তা আবার ভরাট করে দেব। ভয়-ভীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবী করেন তিনি।

এ ব্যাপারে রোববার সকালে জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌস বলেন, এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ তিনি পাননি। পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এ জাতীয় আরো খবর