বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৯, ২০২০

দিপু হত্যা মামলায় ৯ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • Abashan
  • ২০২০-০২-১৬ ১৯:১১:৩২
image

রাজধানীর মিরপুরের মাজার রোডে দেওয়ান কামাল পাশা ওরফে দিপু (২৩) হত্যা মামলায় ৯ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। আজ রোববার ঢাকার ৩ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মনির কামাল এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মো. নছিম, আব্দুল মালেক ওরফে কানা মালেক, জয়নাল আবেদীন, ইকবাল হোসেন ওরফে সেন্টু, জোহরা হক, ইয়াছিন, আবুল হোসেন, দুলাল ড্রাইভার ও মো. সেলিম। দণ্ডিতদের মধ্যে মো. নছিম ছাড়া অপর আসামিরা পলাতক। রায় ঘোষণার সময় আসামি মো. নছিম উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

 

রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলা পরিচালনাকারী ওই ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, আসামিদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেক আসামির ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডের রায়ও দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। যা অনাদায়ে ট্রাইব্যুনাল আরও ৩ মাসের কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন।

 

দুই যুগ আগে ১৯৯৬ সালের ১৩ জানুয়ারি রাতে রাজধানীর মিরপুরস্থ ২য় কলোনী মাজার রোডের মজিবর রহমানের দোকানের সামনে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওইদিন ভিকটিম ওই দোকানের সামনে বন্ধু আলী হোসেন ও শুভর সঙ্গে বিদেশে যাওয়ার বিষয়ে আলাপরত অবস্থায় রাত সাড়ে ৮টার দিকে একটি বেবিটেক্সিতে তিনজন অজ্ঞাত যুবক আসে। যাদের মধ্যে একজন কিছু বুঝে ওঠার আগেই ছুরি দিয়ে দিপুর বুকের নিচে বাম পাশে আঘাত করে। এরপর যুবকদ্বয় বেবিটেক্সিতে করে চলে যায়। 

 

এরপর দিপুকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনায় নিহতের পিতা দেওয়ান আব্দুর রহমান রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তের পর সিআইডির ইন্সপেক্টর মো. নাসির উদ্দিন পাইক ২০০৩ সালের ২ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

 

মামলাটির দ্রুত বিচার সম্পন্নের জন্য ২০০৫ সালের মার্চ মাসে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পাঠানো হয়। এরপর ওই বছর ১৫ মে ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন। পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনাল মামলাটির বিচারকালে ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণরত অবস্থায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আইন অনুযায়ী নিধারিত কার্যদিবস শেষ হওয়ায় ৫ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে আসে। সেখানে আরও ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। এরপর আবার মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হলে ট্রাইব্যুনাল অবশিষ্ট বিচার শেষে রায় ঘোষণা করলেন।


এ জাতীয় আরো খবর